চেন্নাই টেস্টে অবিশ্বাস্য শুরু পায় বাংলাদেশ। দলীয় ৩৪ রানের মধ্যে ভারতের তিন ব্যাটারকে ফিরিয়ে টপ অর্ডার লণ্ডভণ্ড করে দেন এই পেসার হাসান মাহমুদ। এরপর যশস্বী জয়সাওয়াল ও রিঝভ পন্থের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে ভারত। মাঝে আরও তিন উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে স্বাগতিকরা। তবে রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিনের শতরানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত। ওয়ানডে মেজাজে সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন অশ্বিন। 


অশ্বিন 17 সেপ্টেম্বর 1986 তারিখে মাদ্রাজ , তামিলনাড়ুতে রবিচন্দ্রন এবং চিত্রার কাছে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা রবিচন্দ্রন একজন ফাস্ট বোলার হিসেবে ক্লাব পর্যায়ে ক্রিকেট খেলতেন। অশ্বিন তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন পদ্মশেশাদ্রি বালা ভবনে । পরে, তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের জন্য সেন্ট বেডে স্কুলে চলে যান।


বর্তমানে তার বয়স ৩৮ বছর।ক্যারিয়ারের শেষ টেস্টে দলকে বিপদের মুখ থেকে ফেরায় সে। এই ম্যাচের আগে একটি সাক্ষাতকারে জানায় এটিই তার ক্যারিয়ারের শেষ টেস্ট ম্যাচ হতে যাচ্ছে।; পরবর্তি গন্তব্যের কথা এখনো জানায়নি তিনি।

  

বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) চেন্নাইয়ের এমএ চিদাম্বরম স্টেডিয়ামে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান টাইগার অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দলীয় ১৪ রানে ৬ রান করা রোহিত শর্মাকে সাজঘরে ফেরান হাসান।


রপর দলীয় ২৮ ও ৩৪ রানে আরও দুই উইকেট হারায় ভারত। রানের খাতা খোলার আগেই শিবমন গিলকে আউট করেন হাসান। আর ৬ বলে ৬ রান করা বিরাট কোহলিকে নিজের তৃতীয় শিকারে পরিণত করেন এই টাইগার পেসার।


এরপর জয়সাওয়াল ও পন্থ মিলে প্রতিরোধ গড়েন। ৬২ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার। তবে দলীয় ৯৬ রানে ৫২ বলে ৩৯ রান করা পন্থকে আউট করে বাংলাদেশকে ফের ব্রেক থ্রু এনে দেন হাসান।

একপ্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নেন জয়সাওয়াল। লোকেশ রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে ৪৮ রানের জুটি গড়েন জয়সাওয়াল। এরপর দ্রুতই আরও জোড়া উইকেট হারিয়ে ফের চাপে পড়ে ভারত। 

জয়সওয়াল ১১৮ বলে ৫৬ ও রাহুল ৫২ বলে ১৬ রান করে আউট হন। এরপর রবীন্দ্র জাদেজা ও রবিচন্দ্রন অশ্বিন মিলে চাপ সামাল দেন। টাইগার বোলারদের ওপর চড়াও হন এই দুই ব্যাটার। মারমুখী ব্যাটিংয়ে ৫৮ বলে ফিফটি তুলে নেন অশ্বিন। সেইসঙ্গে শতরানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটার।


অন্যদিকে ৭৩ বলে ফিফটি তুলে নেন জাদেজা। সেইসঙ্গে রানের চাকা সচল রাখেন অশ্বিন-জাদেজা। ওয়ানডে স্টাইলে খেলে ১০৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেন অশ্বিন। টেস্ট ক্যারিয়ারে এটি তার ষষ্ঠ সেঞ্চুরি।